Networking-What is networking | analogue signal-digital signal | simplex-half duplex-full duplex




Network-Communication-analogue-digital signal-simplex-half-duplex-full-duplex



Networking-নেটওয়াকিং কি?


সংজ্ঞাঃ- একাধিক কম্পিউটারকে যখন তার বা বেতারের ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্ত করে তথ্য আদান প্রদান করা হয়।কম্পিউটার গুলির এই সংযুক্ত করনকে নেটওয়ার্কিং বলে। অর্থাৎ একসাথে এতগুলো কম্পিউটার যুক্ত হয়ে যে সংযুক্ত করন হলো সেটাকেই নেটওয়ার্কিং বলে।
উদাহরণঃ- ফেসবুক,হোয়াটস অ্যাপ এগুলোও এক একটি নেটওয়ার্কিং।

 নেটওয়ার্কিং এর প্রয়োগ(Application of network) :- 

  • অনলাইন শপিং(Online shopping ) :-বিভিন্ন রকম প্রয়োজনীয় জিনিসপ্ত্র কেনাকাটা করি।
  • সোশাল নেটওয়ার্ক(Social Network):-এর সাহায্যে একে অপরে বন্ধু-বান্ধবের সাথে যুক্ত থাকি।
  • ইমেল (E-mail):- এর সাহায্যে চিথিপ্ত্র আদান প্রদান করা হয়।



কমিউনিকেশন(Communication-analogue-digital):- 

এবার আসি কমিউনিকেশন(communication) কি?
নেটওয়ার্ক এ যুক্ত হয়ে আমরা যে একে অপরের সাথে কথা বলি বা তথ্য আদান প্রদান করি,একেই বলে কমিউনিকেশন।

কমিউনিকেশন দুটি মাধ্যমে হয়।

  1.  অ্যানালগ সিগন্যাল(analog signal)
  2. ডিজিট্যাল সিগন্যাল(digital signal)


  • অ্যানালগ সিগন্যাল(analog signal) :- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ/চুম্বকীয় তরঙ্গের সমন্বয়ে তৈরি সিগন্যাল কে বলে অ্যানালগ সিগন্যাল। 
 



  • ডিজিট্যাল সিগন্যাল(digital signal) :- এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটারে তথ্য পাঠানোর জন্য যে সিগন্যাল ব্যবহার করা হয় তাকে বলে ডিজিট্যাল সিগন্যাল।অর্থাৎ 0 এবং 1 এর সমন্বয়ে তৈরি সিগন্যাল হল ডিজিট্যাল সিগন্যাল।


তথ্য প্রেরনের ধরণ (modes of communications/Types of communications):-

 সিগন্যাল দুপ্রকার জানলাম কিন্তু এই সিগন্যাল আবার তিনরকম ভাবে প্রেরিত - গৃহীত হয়।যাকে আমরা বলে থাকি তথ্য প্রেরনের ধরণ।
এটি তিন প্রকার যথাঃ-

  1. সিমপ্লেক্স মোড( Simplex mode)
  2. হাফ ডুপ্লেক্স মোড (half-duplex)
  3. ফুল ডুপ্লেক্স(full-duplex)



  • সিমপ্লেক্স মোড(simplex-mode):- সিমপ্লেক্স মোডে তথ্য প্রবাহ একমুখী।অর্থাৎ কোনো নেটওয়ার্কে যুক্ত দুটি নোডের মধ্যে একটি কেবলমাত্র প্রেরক এবং অপরটি গ্রাহক হিসাবে কাজ করে।
   (নোড-Node :- নেটওয়ার্কে যুক্ত সমস্ত যন্ত্রাংশ গুলি কে এক একটি  নোড-Node বলা হয়)

    উদাহরণঃ- কিবোর্ড টু কম্পিউটার।


  • হাফ ডুপ্লেক্স মোড(half-duplex):- হাফ ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য প্রবাহ দ্বিমুখী। অর্থাৎ কোনো নেটওয়ার্কে যুক্ত দুটি নোডই প্রেরক ও গ্রাহক হিসাবে কাজ করে তবে একই সময়ে না।


   উদাহরণঃ- ওয়াকি-টকি(Walkie-talkies),মোবাইলে ব্লুলুটুথ কানেকটি।


  • ফুল ডুপ্লেক্স(full duplex):- ফুল ডুপ্লেক্স মোডেও তথ্য প্রবাহ দ্বিমুখী। অর্থাৎ কোনো নেটওয়ার্কে যুক্ত দুটি নোডই প্রেরক ও গ্রাহক হিসাবে কাজ করে এবং একই সময়ে।


   উদাহরণঃ- টেলিফোনে কথা বলা,মোবাইল টু মোবাইলে কথা বলা।


What is Lan?



বন্ধুরা অল্প অল্প পড়ো বুঝে পড়ো আর সময় নিয়ে পড়ো দেখবে সব সহজ। আর পড়ার সময় বই পাশে নিয়ে পড়ো ।ভালো থাকো,সবাই সুস্থ থাকো,জয় হিন্দ।


No comments

Powered by Blogger.