Network Architecture | Client-server Network | Peer-to-peer Network | Data transmission



নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি(Network Architecture)



নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি(Network Architecture)


 কোনো নেটওয়ার্ক এ যুক্ত কম্পিউটার গুলি যে প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে তথ্য আদান প্রদান করে অর্থাৎ যে পদ্ধতিতে নিজেদের মধ্যে তথ্য দেওয়া-নেওয়া করে তাকে বলে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি(Network Architecture)।

কোনো মানুষ অপর মানুষের সাথে কিভাবে তথ্য শেয়ার করে? মুখের সাহায্যে,কাগজে লিখে ইত্যাদি ঠিক একই রকম ভাবে নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি(Network Architecture) হলো কম্পিউটারগুলির মধ্যে  তথ্য দেওয়া-নেওয়ার প্রকার।

কম্পিউটার গুলি দুটি পদ্ধতিতে নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে


  1.  ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক(Client/server Network)
  1.  পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক(Peer-to-peer Network)



ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক(Client/server Network):-


Client-server Network by কম্পিউটার প্রস্তুতি





 এই নেটওয়ার্ক এ এক বা একাধিক সার্ভার নেটওয়ার্ক থাকে যাদের সার্ভার বলা হয়। এই সার্ভার গুলি নেটওয়ার্ক এ যুক্ত থাকা ক্লায়েন্ট গুলির চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরাবরাহ করে।এক্ষেত্রে সার্ভারের অনুমতি ছাড়া কোনো কাজ করা সম্ভব না।

উদাহরণঃ- যেমন ওয়েব সার্ভার।

সুবিধা(Advantages of Client/server network):-


  • এই নেটওয়ার্ক এ কোনো কাজ সার্ভারের অনুমতি ছাড়া সম্ভব না এবং কাজের পাসওয়ার্ড ব্যবহার হয়,ফলে মুল্যবান ডেটা ও বিভিন্ন সফটওয়্যার সুরক্ষিত থাকে।
  • সার্ভার থেকে ডেটা ব্যাকআপ নেওয়ার সুবিধা থাকে।


অসুবিধা(Disadvantages of Client/server network):-


  • এই নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যথেষ্ট জটিল তাই এটা স্থাপন করা যথেষ্ট পরিশ্রম সাধ্য।
  • এই নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রন করার জন্য সর্বদা একজন দক্ষ system-administrator এর প্রয়োজন হয়।


পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক(Peer-to-peer Network):-


Peer-to-peer Network by কম্পিউটার প্রস্তুতি




এই নেটওয়ার্কএ কোনো সার্ভার নেটওয়ার্ক থাকে না।প্রত্যেকটি কম্পিউটার একদিকে ক্লায়েন্ট এবং অপরদিকে সার্ভার হিসাবে কাজ করে।

উদাহরণঃ- সাধারন অপারেটিং সিস্টেম

সুবিধা(Advantages of peer to peer network):-


  • এই নেটওয়ার্ক খুব সরল প্রকৃতির তাই এটি স্থাপন করাও খুব সহজ।
  • সার্ভার না থাকায় কোনো বিশেষ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম এর প্রয়োজন নেই।


অসুবিধা(Disadvantages of peer to peer network):-



  • কেন্দ্রীয় সার্ভার না থাকায় ডেটা তেমন সুরক্ষিত না।
  • ডেটা ব্যাকআপ নেওয়ার তেমন ব্যবস্থা নেই।




তথ্য পরিবহন(Data transmission)



Data transmission by কম্পিউটার প্রস্তুতি



তথ্য পরিবহন(Data transmission):- 

আমরা এক কম্পিউটার থেকে অপর কম্পিউটার এ তথ্য প্রেরন করি কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছো তথ্য গুলো কিভাবে প্রেরিত হয়?

যেমন ধরো তুমি স্কুল যাবে কিভাবে? পায়ে হেঁটে,আবার কেউ আসে সাইকেলে আবার কেউ বা বাসে। ঠিক একই রকম ভাবে কম্পিউটার গুলির মধ্যে তথ্য পরিবহন দুটি উপায়ে হয়।


  1. সমান্তরাল পরিবহন(Parallel Transmission)
  1. ধারাবাহিক পরিবহন(Serial Transmission)



সমান্তরাল পরিবহন(Parallel Transmission):- 

( n বিটের ডেটাগুলির ) প্রত্যেকটি ডেটা গুলিকে আলাদা আলাদা ভাবে প্রেরিত না করে যখন একসাথে সমান্তরাল ভাবে প্রেরন করা হয়,তাকে বলে সমান্তরাল পরিবহন।
এক্ষেত্রে আটটি বিট একসাথে প্রেরন করা হয়।

ধারাবাহিক পরিবহন(Serial Transmission):- 

 ডেটা গুলিকে ধারাবাহিক ভাবে প্রেরন করা হয়,এক্ষেত্রে দুটি নোডের মধ্যে তথ্য প্রেরনের জন্য একটি মাত্র তার ব্যবহার করা হয়।

ধারাবাহিক পরিবহন(Serial Transmission) আবার দুটি ভাগে বিভক্ত।



  •  পৃথক পরিবহন( Asynchronous Transmission)
  • যুগপথ পরিবহন (Synchronous Transmission)



পৃথক পরিবহন( Asynchronous Transmission):- এক্ষেত্রে একের পর এক সংকেত প্রেরিত হয়। এক্ষেত্রে আটটি বিটের ক্যারেক্টার প্রতিবারে প্রেরিত হয়, start bit-stop bit এর মাধ্যমে।

যুগপথ পরিবহন (Synchronous Transmission):- এক্ষেত্রে একাধিক বিট এক একটি দীর্ঘ ফ্রেমের আকারে প্রেরিত হয়।

No comments

Powered by Blogger.